এম আবুল কাসেম (কাশেম) English

সূত্র ও গবেষণা

যাচাইকরণের মান

মীমাংসাহীন প্রশ্ন

বাহ্যিক সূত্র (অনলাইনে পাওয়া)

এসব সূত্রে কিছু ভিন্নতা থাকলে আমরা তা আপনার কাছে দেখিয়ে সিদ্ধান্ত নেব; নিজে থেকে কিছু বদলাব না।

অনলাইন সূত্র থেকে সংরক্ষিত অতিরিক্ত তথ্য

নিচের তথ্যগুলো প্রকাশ্য অনলাইন সূত্র থেকে সংরক্ষণ করা হয়েছে, যাতে উৎস একদিন হারিয়ে গেলেও তথ্য থেকে যায়। এগুলো পরিবারের দেওয়া তথ্যের পরিপূরক; কোথাও পরিবারের বিবরণের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়। সূত্রের তালিকা একদম নিচে দেওয়া আছে।

কুষ্টিয়ার যুদ্ধ, মার্চ–এপ্রিল ১৯৭১

১৯৭১ সালের মার্চে অপারেশন সার্চলাইটে কুষ্টিয়া পাকিস্তানি বাহিনীর দখলে যায়। ৩০ মার্চ রাত ৩টা ১০ মিনিটে ক্যাপ্টেন আজমের একটি সংকেত গুলির মাধ্যমে আড়ুয়াপাড়া ওয়্যারলেস স্টেশনে আক্রমণ শুরু হয়; এই আক্রমণে এম আবুল কাসেম নেতৃত্ব দেন এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে নুর আলম জিকু ও এ্যাডভোকেট আব্দুল বারী সংগঠক হিসেবে যুক্ত ছিলেন। ৩০ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত চলা এই যুদ্ধে বাঙালি গেরিলা ও পুলিশের পাশে মুক্তি ফৌজ অংশ নেয়; পাকিস্তানি পক্ষে ছিল ২৭তম বালুচ রেজিমেন্ট। ১ এপ্রিল কুষ্টিয়া শত্রুমুক্ত হয়, যা স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শত্রুমুক্ত জেলাশহরগুলোর অন্যতম।

গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প

অনলাইন সূত্রে উল্লেখ আছে, ১৯৭১ সালের মার্চ পর্যন্ত এম আবুল কাসেম ‘গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প’-এর শৈলকুপা বিভাগে কর্মরত ছিলেন। এই তথ্য পরিবারের বিবরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ; প্রতিষ্ঠানের সরকারি নাম ও তাঁর পদের সুনির্দিষ্ট বিবরণ এখনও চূড়ান্ত করা বাকি।

দেরাদুন প্রশিক্ষণ ও ১০,০০০ টাকা পুরস্কার

অনলাইন সূত্র অনুযায়ী, তিনি ভারতের দেরাদুনে প্রথম ব্যাচে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি বাহিনী তাঁকে ধরিয়ে দিতে পারলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছিল — এই দাবি এখন অনলাইন সূত্রেও পাওয়া যাচ্ছে (আগে এটি শুধু পরিবারের বিবরণে ছিল)।

বংশীতলার যুদ্ধ, ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১

১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাতে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বংশীতলা–দুর্বাচারা এলাকায় পাকসেনা ও রাজাকারদের ওপর মুক্তিযোদ্ধাদের এক রক্তক্ষয়ী সম্মুখযুদ্ধ সংঘটিত হয়। কুষ্টিয়া সদর ও কুমারখালীর একাধিক গ্রুপ অংশ নেয়; চারপাশের গ্রাম থেকে রসদ ও খাদ্য সরবরাহ করা হয়। পাকসেনাদের প্রথম অংশ মুক্তিযোদ্ধাদের অ্যামবুশে পড়ে ধ্বংস হয়; ক্যাপ্টেন জামিলসহ আনুমানিক ১০–১৫ জন নিহত হন এবং কিছু ব্যাজ, একটি .৩৪ বোরের রিভলবার ও কয়েকটি চায়না রিভলবার উদ্ধার হয়। পাকিস্তানিদের কাভারিং গ্রুপ স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রে পাল্টা আক্রমণ চালায়। অবস্থান পরিবর্তনের সময় সদর থানার বীরপ্রতীক দিদার আলীসহ ৯ জন এবং কুমারখালীর আবদুল মান্নান (বানিয়াপাড়া) ও তাজুল ইসলাম (দুরগাপুর) শহীদ হন; মোকাদ্দেস হোসেনসহ একাধিক মুক্তিযোদ্ধা আহত হন। অনেকক্ষণ যুদ্ধের পর পাকসেনারা কুষ্টিয়ায় ফিরে যেতে বাধ্য হয়; যুদ্ধক্ষেত্রে পরিচালনায় ছিলেন জাহিদ হোসেন জাফর। প্রতিশোধ হিসেবে পাকবাহিনী ও রাজাকাররা শালঘর মধুয়া এলাকার অনেক বাড়ি জ্বালিয়ে দেয় এবং একজন বৃদ্ধাকে হত্যা করে; পরদিন পাকিস্তানি বিমান বাহিনী বংশীতলা ও আশপাশে বিমান হামলা চালায়।

কোনো কোনো বাহ্যিক বিবরণে যুদ্ধের সার্বিক নেতৃত্ব ভিন্নভাবে দেখানো হয়েছে; সেই পার্থক্য পরিবারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় সংরক্ষিত আছে, এখানে প্রকাশ করা হয়নি।

সদর উপজেলার বিএলএফ কমান্ডারগণ

মুক্তিযুদ্ধ কোষ-ভিত্তিক গবেষণায় কুষ্টিয়া সদর উপজেলার উচ্চতর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিএলএফ কমান্ডারদের মধ্যে এম আবুল কাসেমের নাম প্রথমসারিতে উল্লিখিত; অন্যান্যদের মধ্যে নাম আছে আবদুল মান্নান, আবদুল হামিদ, নূর মোহাম্মদ জাপান ও শামসুল হুদার।

তথ্যসূত্র (অনলাইন)

  1. বাংলা উইকিপিডিয়া — বংশীতলার যুদ্ধ
  2. বাংলা উইকিপিডিয়া — কুষ্টিয়ার যুদ্ধ
  3. বাংলা উইকিপিডিয়া — কুষ্টিয়া সদর উপজেলা
  4. বাংলা উইকিপিডিয়া — খসড়া: এম আবুল কাসেম (অপ্রকাশিত খসড়া নিবন্ধ)
  5. সংগ্রামের নোটবুক — বংশীতলার যুদ্ধ, ০৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১
  6. সংগ্রামের নোটবুক — কুষ্টিয়ার যুদ্ধ
  7. মুক্তিযুদ্ধ কোষ, সপ্তম খণ্ড (মুনতাসির মামুন সম্পাদিত) — সংগ্রামের নোটবুকে উদ্ধৃত।
  8. ইন্টারনেট আর্কাইভ — বংশীতলার যুদ্ধ: আগে ও পরে (১৯৯৬)

সাক্ষাৎকার ও স্মৃতিকথা

পরিবার ও সহযোদ্ধাদের সাক্ষাৎকার ও স্মৃতিকথা ভবিষ্যতে যুক্ত হবে। কোনো সাক্ষাৎকার বা উদ্ধৃতি বানানো হয়নি।

মতামত বা সংশোধন পাঠান

প্রথম সংস্করণে স্বয়ংক্রিয় জমাদানের ফর্ম নেই (নিরাপদ বিনামূল্যের সমাধান যাচাই করা হয়নি)। যোগাযোগের ঠিকানা: [পরিবার এখানে ইমেইল বসাবে]। জমা দেওয়া মানেই প্রকাশের নিশ্চয়তা নয়।